লৌহপুরুষের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা, প্রদেশ সভাপতি ও সাংসদ শ্রী রাজীব ভট্টাচার্য, এবং যুব ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী টিঙ্কু রায় মহোদয়ের নেতৃত্বে রাজধানী আগরতলায় অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহাসিক ‘Unity March’।
আগরতলা, ত্রিপুরা । ১০ নভেম্বর ২০২৫ঃ দেশের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও ‘লৌহপুরুষ’ হিসেবে খ্যাত সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সার্ধশত (১৫০তম) জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় এক অনন্য আয়োজনে পালিত হলো Unity March।
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ প্রাঙ্গণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদযাত্রার শুভ সূচনা করেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। এই গৌরবময় যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির সভাপতি ও সাংসদ শ্রী রাজীব ভট্টাচার্য মহোদয় এবং রাজ্যের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক মন্ত্রী শ্রী টিঙ্কু রায় মহোদয়।

উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ থেকে শুরু হওয়া এই সুদীর্ঘ পদযাত্রা হাপানিয়া পর্যন্ত অগ্রসর হয়, যেখানে শত শত নাগরিক, যুবক-যুবতী, ছাত্রছাত্রী ও সমাজের নানা শ্রেণির মানুষ উৎসাহভরে অংশগ্রহণ করেন। হাতে জাতীয় পতাকা ও ঐক্যের প্রতীকী ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা দেশজুড়ে ঐক্য, সংহতি ও জাতীয় চেতনার আহ্বান জানান।
এই পদযাত্রা শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি সর্দার প্যাটেলের অবিনশ্বর দেশগঠন ও ঐক্যের দর্শনের প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, অবিচল দেশপ্রেম ও প্রদেশগুলোকে এক সুতোয় বাঁধার ঐতিহাসিক ভূমিকা আজও ভারতের জাতীয় ঐক্যের মূল ভিত্তি হিসেবে স্মরণীয়।

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা এদিন বলেন, “সর্দার প্যাটেল আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে বিভক্তি নয়, ঐক্যই জাতির প্রকৃত শক্তি। তাঁর দেখানো পথে চললেই আমরা গড়ে তুলতে পারবো শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত ভারত।”
অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয় দেশাত্মবোধক সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তীতে আয়োজিত এই “একতা পদযাত্রা” শুধু ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের প্রতি এক অঙ্গীকার — একটি সংহত, শক্তিশালী ও একতাবদ্ধ ভারতের।








