শারদীয়া ও ধনতেরাস উপলক্ষে আয়োজিত মেগা লাকি ড্রতে বিজয়ীদের হাতে উঠল এলইডি টিভি, স্মার্টফোন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স — ক্রেতাদের উচ্ছ্বাসে মুখর ছিল পুরো অনুষ্ঠানস্থল
আগরতলা, ত্রিপুরা । ০৯ নভেম্বর ২০২৫ঃ আগামী দিনের সাফল্য ও গ্রাহক সন্তুষ্টিকে আরও দৃঢ় করতে ত্রিপুরা রাজ্যের প্রখ্যাত স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘গোপীনাথ জুয়েলার্স’ আয়োজন করেছিল তাদের স্বর্ণ শারদীয়া ও ধনতেরাস ধনবৃদ্ধি অফারের মেগা লাকি ড্র বিজয়ী নির্বাচনী অনুষ্ঠান।
বিগত ৯ই নভেম্বর তারিখে রাজধানীর হরি গঙ্গা বসাক রোড-এ অবস্থিত গোপীনাথ জুয়েলার্সের আড়ম্বরপূর্ণ শোরুমে অনুষ্ঠিত হয় এই বর্ণাঢ্য আয়োজন।

অনুষ্ঠানস্থল ছিল ক্রেতা-গ্রাহকদের উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশায় ভরপুর। উৎসবের আমেজে পরিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই মেগা লাকি ড্রতে উপস্থিত ছিলেন অসংখ্য ক্রেতা, অতিথি এবং গোপীনাথ জুয়েলার্সের কর্তৃপক্ষবৃন্দ।
এই লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে দূর্গাপূজা ও ধনতেরাস– এই দুই উৎসব উপলক্ষে একত্রে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মোট তিনটি এলইডি টিভি, তিনটি স্মার্টফোন, এবং তিনটি হোম অ্যাপ্লায়েন্স— এই নয়জন সৌভাগ্যবান বিজয়ীর কূপন নম্বর ঘোষণা করা হয় ক্রেতাদের উপস্থিতিতেই।
🏆 বিজয়ীদের তালিকা:

এলইডি টিভি বিজয়ী কূপন নম্বর:
- ৩৪৯০
- ৩৭৩৯
- ৩৫২২

স্মার্টফোন বিজয়ী কূপন নম্বর:
- ২৫৯২
- ৩৭৬৪
- ৩৪৭০

হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিজয়ী কূপন নম্বর:
- ৩৩০
- ৩৭১৩
- ৩৮২৫
🎁 দৈনিক লাকি ড্র বিজয়ীরা:
গোপীনাথ জুয়েলার্সের শারদীয়া উৎসবকালে প্রতিদিনের লাকি ড্রতে ২৭ জন ক্রেতা হোম অ্যাপ্লায়েন্স জিতে নিয়েছেন।
অন্যদিকে, ধনতেরাস উৎসবে প্রতিদিনের লাকি ড্রয়ে ৪৮ জন সৌভাগ্যবান ক্রেতা পুরস্কার পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে গোপীনাথ জুয়েলার্সের কর্ণধার ও কর্তৃপক্ষ উপস্থিত থেকে ক্রেতাদের ধন্যবাদ জানান তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসার জন্য। তাঁরা জানান, গোপীনাথ জুয়েলার্স সবসময় গ্রাহক সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ত্রিপুরাবাসীর সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে বদ্ধপরিকর।
সম্মানীয় ক্রেতা-গ্রাহকরাও এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করে তাঁদের আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, “গোপীনাথ জুয়েলার্স শুধু স্বর্ণ বিক্রি করে না, ক্রেতাদের প্রতি ভালোবাসা ও বিশ্বাসের সম্পর্কও তৈরি করে।”
‘গোপীনাথ জুয়েলার্স’-এর এই উদ্যোগ কেবল একটি লাকি ড্র নয়, বরং ক্রেতা ও বিক্রেতার পারস্পরিক আস্থার এক অনন্য উদাহরণ। উৎসবের এই আনন্দঘন মুহূর্ত ত্রিপুরাবাসীর মনে রেখে গেল সৌভাগ্য ও হাসির এক উজ্জ্বল ছাপ।








