সিপিআইএমের বনধে বিপুল জনসমর্থন, গুন্ডামি করে ধর্মঘট ভাঙতে ব্যর্থ বিজেপি! দুর্লভনারায়ণে ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে পালাতে বাধ্য শাসকদলের কর্মীরা।
নলছড়, ত্রিপুরা। ৯ জুলাই ২০২৫ঃ ত্রিপুরা জুড়ে সিপিআইএমের ডাকা আজকের ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট জনসমর্থন পেয়েছে ব্যাপকভাবে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে দুর্লভনারায়ণ ও নলছড়া এলাকায় ধর্মঘটের প্রভাব চোখে পড়ার মতো। দোকানপাট বন্ধ, রাস্তাঘাটে তুলনামূলক কম মানুষ এবং বেসরকারি যানবাহনের সংখ্যাও কম।
তবে শাসকদল বিজেপি ধর্মঘটকে বানচাল করতে মাঠে নামে—বলা চলে, তাদের পক্ষ থেকে এক প্রকার গুন্ডামি চালানোর চেষ্টা হয়। বাজার এলাকার বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে দোকান খোলার জন্য চাপ দেওয়া হয়, এমনকি লাঠি ছুটা নিয়ে ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। দুর্লভনারায়ণ বাজারে দেখা যায়, কিছু দোকান খোলা হলেও ব্যবসায়ীরা বিজেপি কর্মীদের হুমকির মুখে পড়ে তীব্র আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।
তবুও, ব্যবসায়ীরা সহজে মাথা নত করেননি। স্থানীয় মানুষের এবং সিপিআইএম কর্মীদের সাহসী প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত বিজেপির কর্মীরা পিছু হটে যায় বলে জানা গেছে। এলাকায় পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হলেও বড় কোনও অশান্তির খবর মেলেনি।
সিপিআইএম নেতৃত্বের দাবি, আজকের ধর্মঘট প্রমাণ করেছে যে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ এখনও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি আস্থাশীল। তারা বলেন, “সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে মন জয় করা যায় না। আজকের বনধে জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে। তাই আমরা এই আন্দোলনকে মানুষের বিজয় হিসেবে দেখি।”
তাদের মতে, ধর্মঘটের সাফল্যে হতাশ হয়ে বিজেপি আজ হিংসার পথ বেছে নিয়েছে, যা জনসমর্থনের অভাবকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। তারা দাবি করে, “রাজ্য সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতে চাইছে। কিন্তু এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই সফল হবে না।”








