সিপিএমের ধর্মঘট ডাকেও ছয় আগরতলায় স্বাভাবিক জনজীবন, পাল্টা বার্তা বিজেপি নেত্রী পাপিয়া দত্তের।
আগরতলা, ত্রিপুরা ৯ জুলাই ২০২৫ঃ আজকের প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও সিপিএমের ডাকা ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট নিয়ে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করেছে। একদিকে বামফ্রন্টের ডাকে ধুমাছড়া বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বন্ধের প্রভাব স্পষ্ট দেখা গেলেও, অন্যদিকে ছয় আগরতলা সহ অন্যান্য এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবনের চিত্র তুলে ধরে পাল্টা সুরে কথা বলেছেন বিজেপি’র সহ-সভানেত্রী পাপিয়া দত্ত।

আজ সকাল থেকেই ছয় আগরতলার বিভিন্ন এলাকা এবং জিবি বাজার পরিদর্শনে যান তিনি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, “জনগণ আর এই ধরণের অপ্রাসঙ্গিক এবং অবাস্তব ধর্মঘটের পাশে নেই। সাধারণ মানুষ কাজকর্মে ফিরে এসেছে। জিবি বাজার সহ গোটা ছয় আগরতলায় জীবন স্বাভাবিক। সিপিএমের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই সময়ে যখন মানুষ অনেক কষ্টে আছে, তখন বন্ধ ডেকে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো একেবারেই অমানবিক। এটা সিপিএমের পুরনো ধাঁচের রাজনীতি, যেখানে তারা মানুষের স্বার্থের বদলে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত।”
পাপিয়া দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একদিকে ধর্মঘটের পক্ষে সিপিএম তাদের যুক্তি দিচ্ছে, অন্যদিকে বিজেপি দাবি করছে ধর্মঘট পুরোপুরি ব্যর্থ।

এদিকে ধুমাছড়া বাজার, সোনামুড়া ও আরও কিছু গ্রামীণ অঞ্চলে দোকানপাট বন্ধ এবং সড়ক ফাঁকা দেখা গেছে, যেখানে ধর্মঘটের প্রভাব ছিল দৃশ্যমান। তবে শহরাঞ্চলে ও বিশেষ করে ছয় আগরতলায়, সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট এবং যানবাহন চলাচল প্রায় স্বাভাবিক ছিল বলেই দাবি প্রশাসনের।
শেষমেশ, এই ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা যেমন বেড়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।








