সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে নবযাত্রা— দক্ষিণ জেলায় তৃণমূলের শক্তিবৃদ্ধি, শান্তনু সাহার উপস্থিতিতে তিন কর্মীর যোগদান।
নিউজ ডেস্কঃ দক্ষিণ জেলা রাজনীতিতে ঘটলো গুরুত্বপূর্ণ দলবদলের ঘটনা। সিপিআইএম (CPIM)-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকা তিনজন সুপরিচিত এবং সক্রিয় সদস্য এবার বামপন্থী রাজনীতির পথ ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC)। সোমবার আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানান যুব তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ জেলা সভাপতি শান্তনু সাহা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য নেতারাও এই যোগদানকে “গণভিত্তি বাড়ার প্রমাণ” বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, তৃণমূল কংগ্রেসে এই ধরণের অভিজ্ঞ ও সক্রিয় কর্মীদের যোগদান আগামী দিনে দক্ষিণ জেলায় সংগঠনকে আরও মজবুত করবে।
যাঁরা যোগ দিয়েছেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সিপিআইএম দলের হয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন। তাঁদের দাবি, বর্তমান সময়ে সিপিআইএম-এর সঙ্গে মাটির মানুষের সংযোগ অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সংগঠনের ভেতরে নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য ও দিকহীনতার কারণেই তাঁরা নতুন নেতৃত্ব ও উন্নয়নের পক্ষেই আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তাঁদের একজন বলেন, “আমরা মানুষের সেবা করতে চাই। কিন্তু সিপিআইএম আজ আর সেই সংগঠন নেই, যেখানে মানুষের কথা শোনা হয়। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং উন্নয়নমূলক রাজনীতির অংশ হতে— আর সেই পথ দেখিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।”
যুব সভাপতি শান্তনু সাহা বলেন, “মানুষ এখন উন্নয়ন চায়, শান্তি চায়, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চায়। তৃণমূল কংগ্রেস সেই চাহিদা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আজ যাঁরা যোগ দিলেন, তাঁরা অভিজ্ঞ কর্মী— আমরা তাঁদের স্বাগত জানাই এবং আশা করি, তাঁরা তৃণমূলের নীতি ও আদর্শ ছড়িয়ে দিতে আগামী দিনে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।”
এই দলবদলের ঘটনা দক্ষিণ জেলার রাজনৈতিক চিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে সিপিআইএম-এর ঘাঁটি বলে পরিচিত কিছু এলাকায় তৃণমূলের প্রভাব যে ক্রমেই বাড়ছে, সেটারই এক পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলল এদিনের অনুষ্ঠানে।








