নিজের বেতন-ভাতার অর্থে গরিব দুঃস্থদের বস্ত্র বিতরণ ও যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান, গর্জি এডিসি এলাকায় প্রশংসার ঝড়।
শান্তির বাজার, ত্রিপুরা । বাহাদুর ত্রিপুরাঃ শান্তির বাজার, ২২ কাঁঠালিয়া মির্জা রাজাপুর কেন্দ্রের অন্তর্গত গর্জি মোটরস্ট্যান্ড এলাকায় এক মানবিক ও মহতী সামাজিক কর্মসূচির সাক্ষী থাকল স্থানীয় মানুষ। গর্জি এলাকার জাতি, জনজাতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গরিব ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মির্জা কাঁঠালিয়া রাজাপুর কেন্দ্রের এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরা।
এদিন গর্জি মোটরস্ট্যান্ডে এক সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করে এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরা নিজের বেতন ও ভাতার অর্থ থেকে গণহারে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতেই তাঁর এই উদ্যোগ বলে জানান উপস্থিত স্থানীয়রা। শুধু বস্ত্র বিতরণই নয়, পাশাপাশি এলাকার যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রীও বিতরণ করা হয়। যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং নেশামুক্ত, সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এই মানবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, প্রদেশ সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক, বিধায়ক অভিষেক দেব রায়, মির্জা কাঁঠালিয়া রাজাপুর কেন্দ্রের এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরা নিজে, বিশিষ্ট জনজাতি নেতা পরিতোষ দেববর্মা, জনজাতি নেতা চন্দ্র জয় রিয়াং, মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ মারাক সহ আরও বহু দলীয় নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতিথিরা এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরার এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত জনসেবা। বর্তমান সময়ে নিজের ব্যক্তিগত আয় থেকে সমাজসেবার এমন নজির সত্যিই বিরল।
এলাকার সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরার প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের প্রতি এই উদার মানসিকতা দেখে তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর এই ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার আলো জেগেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরা বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখেই আমি কাজ করতে চাই। সমাজের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব। আগামী দিনেও মির্জা কাঁঠালিয়া রাজাপুর এলাকায় এই ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
এমডিসি পদ্মলোচন ত্রিপুরার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের কাছেও এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।








