উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাননীয় মেয়র ও প্রেস ক্লাব সভাপতির উষ্ণ শুভেচ্ছা বার্তা।
আগরতলা, ৩০শে জুলাই ২০২৫ | কৃষ্ণনগরঃ আগরতলার কৃষ্ণনগরের বুকে আজ অনুষ্ঠিত হল একটি চিরস্মরণীয় আয়োজন—গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার-এর গ্র্যান্ড ওপেনিং। দুপুর ঠিক ১২টা নাগাদ, হরিষ ঠাকুর রোডে অবস্থিত নতুন এই মিষ্টির দোকানের দ্বার উন্মোচিত হয় এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মেয়র শ্রী দীপক মজুমদার, যিনি শহরের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী প্রণব সরকার, সভাপতি, আগরতলা প্রেস ক্লাব। তাঁদের উভয়ের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে যোগ করেছিল এক অনন্য মর্যাদা ও গৌরব।

অনুষ্ঠানের সূচনায় ছিল শুভগান ও প্রদীপ প্রজ্বলন। তারপর ফিতে কেটে গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। দোকানটির অভ্যন্তরে ঢুকলেই চোখে পড়ে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সুসজ্জিত কাচের তাক জুড়ে মন মাতানো রকমারি মিষ্টান্ন—যেমন রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচম, মালাই চপ, দই, এবং বিশেষ স্বাদের ক্ষীর মোহন। প্রতিটি মিষ্টির স্বাদে ছিল ঘরোয়া ছোঁয়া আর স্বাস্থ্যবিধির প্রতি অটল দায়িত্ববোধ।

উদ্বোধন পরবর্তী বক্তব্যে মেয়র শ্রী দীপক মজুমদার বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ শুধু ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেই নয়, শহরের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশকেও সমৃদ্ধ করে। গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মতো প্রতিষ্ঠান আমাদের শহরে আরও সৌন্দর্য ও স্বাদ যোগ করবে।”

প্রেস ক্লাব সভাপতি প্রণব সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একটি ভালো মিষ্টির দোকান কেবল খাবারের কেন্দ্র নয়, এটি মানুষের আবেগ, সম্পর্ক এবং সংস্কৃতির প্রতিফলন। গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার সেই সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়েই পথচলা শুরু করল।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী মহল, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। অনেকেই উদ্বোধনের দিন বিনামূল্যে পরিবেশিত মিষ্টি স্বাদ নিয়ে দোকানের প্রশংসা করেন। দোকানের কর্ণধার জানান, তাঁরা গুণগত মানে আপস করবেন না এবং প্রতিদিনের তাজা ও স্বাস্থ্যসম্মত মিষ্টি পরিবেশন করাই হবে তাঁদের প্রধান অঙ্গীকার।
এছাড়াও আগত অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার এবং র্যাফেল ড্র-এর মতো আকর্ষণীয় ব্যবস্থা, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
গোপাল মিষ্টান্ন ভাণ্ডার শুধু একটি মিষ্টির দোকান নয়—এ যেন আগরতলার খাদ্যসংস্কৃতিতে এক নতুন সংযোজন। উদ্যোক্তাদের আশা, শহরের মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ নিয়েই এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিচিতি অর্জন করবে।








