সরকারের পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের মুখে হাসি ফোটানোর প্রতিশ্রুতি, রাস্তায় পেপার ব্লক ও ইট বসানোর কাজ শুরু হবে শীঘ্রই।
তেলিয়ামুড়া, ত্রিপুরা । ২৯ জুলাই ২০২৫ঃ “আমাদের সরকারের সময় আন্দোলন করতে হয় না। শুধু আপনার দাবি বা সমস্যা গুলো যথাযথভাবে সময় মতো আমাদের কাছে পৌঁছে দিন—সমাধান আমরা নিশ্চিত করব।”
— এমনই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করলেন তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা এবং ত্রিপুরা সরকারের মুখ্য সচেতক শ্রীমতি কল্যাণী সাহা রায়, মঙ্গলবার কুইশ্যার টিলা এলাকায় রাস্তা পরিদর্শনের সময়।
এই এলাকার বহুদিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা—পুরনো, ভাঙাচোরা ইট বসানো রাস্তা সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছিলেন সাধারণ মানুষ। এবারে এলাকাবাসীর সেই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন বিধায়িকা নিজে। রাস্তার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি জানান, এটি একটি উঁচু ও প্রাকৃতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়ায়, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে রাস্তা ভেঙে যায় বা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

তিনি আরও জানান, “ইতিমধ্যেই আমি জেলা শাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। রাস্তাটির সংস্কার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। একটি উপযুক্ত পরিকল্পনার আওতায় যতটুকু সম্ভব পেপার ব্লক বসানো হবে এবং বাকি অংশে ইট বসানো হবে, যাতে এলাকাবাসী দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হন।”
এদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনে বিধায়িকার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস-চেয়ারম্যান, ব্লকের বি.ডি.ও সহ অন্যান্য শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তে খুশি। তাঁদের মতে, নির্বাচনের সময় রাজনীতিকরা আসেন, কিন্তু কাজের কথা কমই দেখা যায়। তবে কল্যাণী সাহা রায়ের এই উদ্যোগে তারা আশাবাদী যে, এবারে সত্যি রাস্তার সংস্কার হবে এবং দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।
বিধায়িকা আরও বলেন—“সরকারের কাজ শুধু উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি করা নয়, বাস্তবে তা রূপায়িত করেই সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।”
এই রকম দায়িত্বশীল পদক্ষেপ যদি সময়মতো নেওয়া হয়, তবে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ হতেই পারে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।
“রাস্তাই উন্নয়নের প্রথম ধাপ”—এই বার্তা নিয়ে কুইশ্যার টিলায় সরকার যে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এখন দেখার বিষয়—ঘোষণার পর কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সেই প্রতিশ্রুতি।








