বাংলাদেশ, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের ইসলামিক সরকার আবারো হিন্দু নেতাদের বিরুদ্ধে বেআইনি ও মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। এবার, গ্রেফতার করা হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব এবং অশ্বিনী সেবা আশ্রমের সভাপতি কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

বাংলাদেশে একাধিক বার এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে গ্রেফতার করা হচ্ছে। যদিও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নিন্দা করা হয়, তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সমাজের ধর্মীয় বৈষম্য এ ধরনের ঘটনাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে।
বাংলাদেশের ইসলামিক সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতি আমি নিন্দা বা দুঃখ প্রকাশ করতে চাই না, কারণ এই দেশে কাফেরদের (অমুসলিমদের) বাঁচার কোনও অধিকার নেই। এটা একটি বাস্তবতা যা এই দেশের নীতি ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে, এবং বর্তমানে তা একটি সিস্টেমের রূপ নিয়েছে।
এমনকি দেশের বহুসংখ্যক জাতি ও সরকার একযোগভাবে পরিকল্পনা করছে, যাতে হিন্দু বা অন্যান্য অমুসলিম সম্প্রদায় সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত হয় এবং তাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যায়। ফলে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার বা নির্যাতনের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমনকি আমাদের প্রতিবাদ বা দুঃখ প্রকাশের পরও তাদের কিছু আসে যায় না। কারণ, এই ধরনের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে তাদের আগ্রহ ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার—তাদের পক্ষে আর কোনও ধর্মীয় বা সামাজিক প্রতিবাদ মান্য নয়।

তবে, এই পরিস্থিতি নিয়ে আমি আর কিছু লিখতে চাই না, কারণ আমার রাজ্যের বামপন্থী এবং কট্টরপন্থিরা সম্ভবত এই সত্যিকারের পরিস্থিতি নিয়ে আরও ক্ষোভ বা আক্রোশ প্রকাশ করতে পারে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে।
বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংকটে সবার জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও সমতাভিত্তিক সমাধান কামনা করছি।








