ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স এসোশিয়েশন’ গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে রাজ্যব্যাপী ঘন ঘন পাওয়ার কাট, লো ভোল্টেজ, সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যায়। বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ জর্জরিত। নূতন করে ‘কন্ট্রাক্ট লোড এসেসমেন্ট’-এর নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় গ্রাহকরা কী পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে এই বিষয়ে সার্ভে করা হচ্ছে। এসোশিয়েশন বুঝতে পারছে যে এইসব পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো বিদ্যুৎ নিগম আগামীদিনে বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বেসরকারী সংস্থার হাতে তুলে দেবে এবং বিদ্যুৎ- অত্যাবশ্যক পরিষেবা হিসাবে না রেখে ব্যবসায়ীক পণ্য হিসাবে রূপান্তরিত করবে। এই পদক্ষেপের পরিপূরক হিসাবেই ‘প্রিপেইড স্মার্ট’ মিটার সকল বিদ্যুৎ গ্রাহকদের উপর বাধ্যতামূলকভাবে চাপিয়ে দিচ্ছে এবং এইভাবে পূর্বের পোস্ট পেইড বিলিং ব্যবস্থায় গ্রাহকদের যে সুবিধা ছিল তা থেকে বঞ্চিত করছে।স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে বিদ্যুৎ নিগমের সামনে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই বিক্ষোভ সভার বিশেষ দাবিগুলি হল,
১) অবিলম্বে ‘কন্ট্রাক্ট লোড এসেসমেন্ট’-এর নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে টাকা নেওয়া বন্ধ করতে হবে।
২) গ্রাহকদের ইচ্ছানুসারে পোস্ট পেইড মিটার অথবা প্রিপেইড মিটার বসাতে হবে।
৩) গ্রাহকদের স্বার্থ বিরোধী প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বসানো বন্ধ করতে হবে।
৪) বিদ্যুৎকে ব্যবসায়ীক পণ্য হিসাবে গণ্য না করে জনসাধারণের অত্যাবশ্যক পরিষেবা হিসাবে বহাল ৫) বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ ও বণ্টন ব্যবস্থা বেসরকারী মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া চলবে না।রাখতে হবে।
৬) পরিষেবার উন্নয়নের জন্য প্রতিটি সাব-ডিভিশনে লাইনমেন সহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
এই বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক শ্রী সঞ্জয় চৌধুরী। তিনি রাজ্যের সমস্ত বিদ্যুৎ গ্রাহকদের এই দাবিগুলির সমর্থনে আন্দোলন গড়ে তুলতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। স্মারকলিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক সহ শ্রী হরকিশোর ভৌমিক, শ্রী মলিন দেববর্মা, শ্রী মিলন চক্রবর্ত্তী ।








