AIOCD-এর ডাকে দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজার মহকুমায় বন্ধ থাকল সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকান, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ সংগঠনের
শান্তিরবাজার, ২০ মে: অনলাইনে বেআইনি ওষুধ বিক্রি ও ভুয়ো প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে হোম ডেলিভারির প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রতীকী ধর্মঘটে সামিল হলেন কেমিস্ট ও ড্রাগিস্টরা। তারই অংশ হিসেবে দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজার মহকুমাতেও বুধবার বন্ধ রাখা হয় সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকান। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে স্মারকলিপিও পেশ করা হয়। অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস বা AIOCD-এর ডাকে বুধবার একদিনের প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেন কেমিস্টরা। অল ত্রিপুরা কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের শান্তিরবাজার মহকুমা কমিটির উদ্যোগে শান্তিরবাজার, বাইখোরা, বীরচন্দ্র মনু বাজার এবং জোলাইবাড়ি এলাকার সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকান বন্ধ রাখা হয়।

সংগঠনের অভিযোগ, অনলাইনে অবাধ ওষুধ বিক্রি, ভুয়ো প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ এবং অতিরিক্ত ছাড়ের নামে ‘প্রেডেটরি ডিসকাউন্ট’ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। যদিও ধর্মঘটের দিন জরুরি ও জীবনদায়ী ওষুধের পরিষেবা চালু রাখা হয় বলে দাবি সংগঠনের।এদিন ধর্মঘট চলাকালীন সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে তিন দফা দাবির ভিত্তিতে একটি স্মারকলিপি পেশ করে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের কাছেও প্রেস রিলিজ পাঠিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সংগঠন।“ওষুধ কোনও সাধারণ পণ্য নয়। যাচাই-বাছাই ছাড়া অনলাইনে ওষুধ বিক্রি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস আইনের তোয়াক্কা না করেই ব্যবসা চলছে। সরকার দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে দেশের লক্ষ লক্ষ ছোট কেমিস্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”
সংগঠনের দাবি, অনলাইনে ওষুধ বিক্রির আড়ালে দেশজুড়ে একটি সমান্তরাল বেআইনি বাজার গড়ে উঠছে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে শান্তিরবাজার মহকুমা কমিটি।







