বেকার সমস্যা দূরীকরণে রাজ্য সরকার রাজ্যের প্রতিটি মহকুমার অন্তর্গত প্রতিটি ব্লকের মাছের পোনা বিষয়ক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন বহু আগেই! সেই অনুসারে মহকুমার প্রতিটি ব্লকে প্রতি বছরেই মাছের পোনা দেওয়া হচ্ছে! যাতে করে রাজ্যে বেকাররা কিছুটা হলেও নিজেদে পায়ে দাঁড়াতে পারে! সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উত্তর জেলার বাগবাসা বিধানসভার অন্তর্গত কালাছড়া বাজার সংলগ্ন এলাকার সামসুল উদ্দিন নামে এক মৎস্য পনা ব্যবসায়ী নিজের উদ্যোগে এবং নিজস্ব খরচে এই মাছের পোনা চাষ করে আসছেন বহু বছর ধরে ! তিনি জানানা তার ৩৫ কানি জমিতে মোট ২৬ টি ফিসারি আছে ! সেই ফিসারী গুলোতে প্রতিনিয়তই তিনি মাছের পোনা চাষ করছেন ! ফলে প্রচুর লাভবানও হচ্ছেন বলে তিনি জানান ! শুধু তাই নয়, আধুনিক ও উন্নতমানের বেশ কয়েকটি হেচারির মাধ্যমে মাছ চাষ করছেন তিনি! তাছাড়া মাছের পোনার ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে বিক্রেতারা তার আরতে ঝুঁকতে থাকে ! ইতিমধ্যে তার ফিশারিগুলির মাছের পোনা মহকুমায় ছড়িেয় সমগ্র জেলায় সরবরাহ শুরু হয়েছে ! শুধু তাই নয় সরজমিনে গিয়ে দেখা গিয়েছে মাছের আরোতে পোনা মাছ নিতে এসেছে বহু বিক্রেতারা ! এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শামসুল উদ্দিন জাণাণ স্থানীয় মৎস্য দপ্তর ও ব্লকের বিরুদ্ধে মাছের পোনা টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংবাদ মাধ্যমে এক রাশ খোভ উগরে দেণ তিনি ! তার অভিজোগ মৎস্য দপ্তরের সরকারি মাছের পোনা টেন্ডার অনুযায়ী সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে বেণীফিশারিরা পাবেন ৭ সেন্টিমিটার অর্থাৎ তিন লং মাছের পোনা! সে যায়গাতে বেণীফিশারিদেড় চোখে ধুলা দিয়ে শুধু মাত্র ২৫০ থেকে ৫০০ গরস গ্রাম মাছের পোনাই পাচ্ছেন বেণী ফিশারিরা বলে অভিযোগ তার! বার বার স্থানীয় বিধায়ক, ব্লক চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় নেতাদের এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরও বিন্দুমাত্র হেলদোল নেই তাদের বলে অভিযোগ শামসুলের۔۔۔۔
প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা উক্ত টেন্ডারের জন্য বরাদ্দ করছে রাজ্য সরকার! কিন্তু বেনি ফিসারিদের কপালে ঝুটছে ৭ সেন্টিমিটার অর্থাৎ তিন লং মাছের পোনার পরিবর্তে শুধু মাত্র ছোট এক বাটি মাছের পোনা বলে অভিযোগ করেন তিনি








