শিক্ষার প্রসার, উৎসাহ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক হেড অফিসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ বিতরণ অনুষ্ঠান; উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস ও বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তারা
বামুটিয়া, ত্রিপুরা । ১৪ নভেম্বর ২০২৫ঃ শিশুদের শিক্ষার আলো আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে আজ একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ দেখা গেল হরেন্দ্র নগর চা বাগানে। শিশু দিবসকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ ব্যাংক হেড অফিসের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হলো শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান। সমাজসেবামূলক এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চা-বাগান এলাকার প্রায় শতাধিক শিশুর হাতে তুলে দেওয়া হয় স্কুলব্যাগ, খাতা, পেন্সিল, রঙ পেন্সিলসহ নানান প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী।

স্থানীয় শিশুদের মধ্যে শিক্ষাকে উৎসাহিত করা, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা এবং অভিভাবকদের মাঝে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া—এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে এমন কর্মকাণ্ড অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিদের অংশগ্রহণে পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বামুটিয়া এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস। এছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দেন—
- গ্রামীণ ব্যাংকের চিফ ম্যানেজার রাজীব নয়ন
- প্রধান শাখার ম্যানেজার জিৎ ব্যানার্জি
- বামুটিয়া ব্রাঞ্চের ম্যানেজার তমাল দেবনাথ
- দুর্গাবাড়ি ব্রাঞ্চের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার বিমল দেবনাথ
- হেড অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার রিকি দত্ত
- ব্যাংকের কর্মকর্তা নিশিত দেববর্মা
- এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য নিখিল বোনাজ
- ২২ নং বুথ সভাপতি রাম রঞ্জন বোনাস
- ৮ নং বুথের প্রাক্তন সভানেত্রী মাধবী দাস
- সমাজসেবী সুজন দাস
- বিশিষ্ট সাংবাদিক বাদল চন্দ্র, এবং এলাকার আরও সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গ।
সবাই মিলে শিশুদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য শুভেচ্ছা জানান।
শিশুদের মুখে খুশির ঝিলিক

নতুন শিক্ষাসামগ্রী হাতে পেয়ে হরেন্দ্র নগর চা-বাগানের ছোট্ট কচিকাঁচারা উচ্ছ্বাসে আত্মহারা। শিশুদের হাসিখুশি মুখই যেন এই উদ্যোগের সাফল্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। অভিভাবকরাও এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
গ্রামীণ ব্যাংকের বার্তা: সমাজের প্রতি প্রতিশ্রুতি অব্যাহত
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান শাখার ম্যানেজার জিৎ ব্যানার্জি জানান—
“গ্রামীণ ব্যাংক দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে। আজ কচিকাঁচাদের মুখে আনন্দ দেখতে পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত। এই উদ্যোগ সফল করে তোলার জন্য এলাকার নেতৃবৃন্দ এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের শুভকামনা রইল প্রতিটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য।”
শিশু দিবসে এমন মানবিক ও শিক্ষামুখী উদ্যোগ এলাকায় এক ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের এই পদক্ষেপ সমাজের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রইল।








