কারগিল শহীদদের স্মরণে আগরতলায় যুব মোর্চার মশাল মিছিল, গর্জে উঠলেন ভগবান দাস।
আগরতলা, ত্রিপুরা । ২৬ জুলাই ২০২৫ঃ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্মরণে প্রতি বছর ২৬ জুলাই পালিত হয় কারগিল বিজয় দিবস। সেই ঐতিহাসিক দিনের গৌরবকে স্মরণ করে এ বছরও এক অনন্য আয়োজনের মাধ্যমে কারগিল বিজয় দিবস পালন করল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা (বিজেওয়াইএম)। শনিবার রাতে রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্র ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় এক বিশেষ মশাল মিছিল, যা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পথ পরিক্রমা করে পুনরায় রবীন্দ্র ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
মশাল মিছিলটি ছিল অত্যন্ত সুসজ্জিত ও সুশৃঙ্খল। হাতে মশাল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন শতাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক, যুব মোর্চার সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তোলেন আগরতলার রাস্তাঘাট। “ভারত মাতা কি জয়”, “কারগিল হিরো অমর রহে”, এমন বিভিন্ন দেশাত্মবোধক স্লোগানে রাজপথ জুড়ে সৃষ্টি হয় এক গর্বিত আবহ।
মিছিলে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট নেতা ভগবান দাস। তিনি মিছিল শুরুর পূর্বে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “কারগিল যুদ্ধ আমাদের দেশের ইতিহাসে এক গর্বের অধ্যায়। সেই সময় ভারতীয় সেনার যে আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা গোটা বিশ্বকে অবাক করেছিল, আমরা আজ তাঁদের স্মরণ করছি কৃতজ্ঞতার সাথে। যুব সমাজের উচিত তাঁদের অনুপ্রেরণায় দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করা।”
এছাড়াও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য নেতৃত্ব, অন্যান্য জেলা স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং বহু সাধারণ মানুষ। মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং নিরাপত্তার দিকটি নজরে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ছিল বিশেষ ব্যবস্থা।
এই আয়োজনের মাধ্যমে যুব মোর্চা শুধু কারগিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করল না, পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের মর্ম উপলব্ধি করাতেও এক শক্তিশালী বার্তা দিল।
এই ধরণের কর্মসূচি সমাজে দেশাত্মবোধ জাগ্রত করতে যেমন সহায়ক, তেমনি ইতিহাস ও আত্মত্যাগের মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার এক কার্যকর মাধ্যমও বটে।
Ask ChatGPT








